আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ নেতাদের যুক্ত করে দিল্লিতে একটি সেমিনার আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, উপযুক্ত সময় ও পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন। তবে এখনো সফরের কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
ইতিবাচক পদক্ষেপ
গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি পুলিশ ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবকে ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেয়নি।
এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। উপযুক্ত সময়ে সফরটি হবে।
তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এবং দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা হয়নি।
দুই দেশের মধ্যে আলোচনা থেমে যায়নি উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো তারিখ নির্ধারণ না করা মানেই আলোচনা থেমে যাওয়া নয়। তারিখ ঠিক না হলেও দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছিল।
তিনি বলেন, আলোচনার সময় ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছিল। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখন আবারও আলোচনা চলছে।
ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি কিংবা ভারতের অন্য কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
চাহিদা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো চাপের কারণে কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের করা চুক্তির ধারাবাহিকতায় উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো চাপের কারণে উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে না। এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উড়োজাহাজের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তা না হলে নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে না এবং ব্যবসাও হারাতে হবে। এভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রীসংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘমেয়াদে উড়োজাহাজ কিনতে হবে।
উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রেখেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। তাই দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উড়োজাহাজ কেনা হবে।
আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বাংলাদেশের ৭০ থেকে ৮০টি কিংবা তারও বেশি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান হুমায়ুন কবির। প্রয়োজনের ভিত্তিতে নীতিগতভাবে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গ্রী এসি অফিশিয়াল শোরুম লোকেশন ও যোগাযোগ

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ নেতাদের যুক্ত করে দিল্লিতে একটি সেমিনার আয়োজনের অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, উপযুক্ত সময় ও পরিবেশ তৈরি হলে প্রধানমন্ত্রী অবশ্যই ভারত সফর করবেন। তবে এখনো সফরের কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।
ইতিবাচক পদক্ষেপ
গত ২৯ আগস্ট আওয়ামী লীগের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত বক্তাদের নিয়ে দিল্লিতে একটি আন্তর্জাতিক আলোচনা সভা আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। তবে দিল্লি পুলিশ ফরেন করেসপনডেন্টস ক্লাবকে ওই অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি দেয়নি।
এ বিষয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ।
উপযুক্ত সময়ে ভারত সফর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফরের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। উপযুক্ত সময়ে সফরটি হবে।
তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্মান ও জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে এবং দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর সময় ও উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে সফরের তারিখ নির্ধারণ করা হবে।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সম্ভাবনা রয়েছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনো কোনো নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করা হয়নি।
দুই দেশের মধ্যে আলোচনা থেমে যায়নি উল্লেখ করে হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো তারিখ নির্ধারণ না করা মানেই আলোচনা থেমে যাওয়া নয়। তারিখ ঠিক না হলেও দুই দেশের মধ্যে আলাপ-আলোচনা চলছিল।
তিনি বলেন, আলোচনার সময় ৫ আগস্টের মতো একটি ঘটনা ঘটেছিল, যা বাংলাদেশের মানুষের অনুভূতিতে আঘাত করেছিল। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এখন আবারও আলোচনা চলছে।
ভারত থেকে পালিয়ে আসা কোনো সন্ত্রাসীকে বাংলাদেশে আশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। একইভাবে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনো সন্ত্রাসী যেন দিল্লি কিংবা ভারতের অন্য কোনো সার্বভৌম ভূখণ্ডে আশ্রয় না পায়, সে প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তিনি।
চাহিদা অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র থেকে উড়োজাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র থেকে কোনো চাপের কারণে কিংবা অন্তর্বর্তী সরকারের করা চুক্তির ধারাবাহিকতায় উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে হুমায়ুন কবির বলেন, কোনো চাপের কারণে উড়োজাহাজ কেনা হচ্ছে না। এভিয়েশন খাতের চাহিদা অনুযায়ী উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের উড়োজাহাজের বহরের সক্ষমতা বাড়াতে হবে। তা না হলে নতুন রুট চালু করা সম্ভব হবে না এবং ব্যবসাও হারাতে হবে। এভিয়েশন হাব হিসেবে রাজস্ব ও যাত্রীসংখ্যা বাড়াতে হলে দীর্ঘমেয়াদে উড়োজাহাজ কিনতে হবে।
উড়োজাহাজ কেনার বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা রয়েছে কি না, জানতে চাইলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ওয়াশিংটনের সঙ্গে বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো সম্পর্ক রয়েছে। একইভাবে বেইজিংয়ের সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক রয়েছে। বৈদেশিক সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় রেখেই সরকার এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক থাকা দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র অন্যতম প্রধান উন্নয়ন সহযোগী। তাই দেশটির সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ আরও বাড়ানো হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী আরও উড়োজাহাজ কেনা হবে।
আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে বাংলাদেশের ৭০ থেকে ৮০টি কিংবা তারও বেশি উড়োজাহাজের প্রয়োজন হতে পারে বলে জানান হুমায়ুন কবির। প্রয়োজনের ভিত্তিতে নীতিগতভাবে বোয়িংয়ের উড়োজাহাজ কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
গ্রী এসি অফিশিয়াল শোরুম লোকেশন ও যোগাযোগ
বাংলাদেশে গ্রী এসি ইনভার্টার দাম

আপনার মতামত লিখুন