পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে কাবা শরিফের দেয়ালে থাকা গিলাফ কাটার চেষ্টার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, ওই নারী কাবার গায়ে মোড়ানো পবিত্র গিলাফ (কিসওয়া) থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কাটার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটি ব্যক্তিগত স্মারক হিসেবে সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশে থাকা মুসল্লিরা তাকে সতর্ক করেন এবং এ ধরনের কাজ শরিয়ত অনুযায়ী নিষিদ্ধ বলে জানান।
তবে সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি চেষ্টা চালিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং তাকে আটক করে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটার সময় উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ তাকে মিশরের নাগরিক দাবি করলেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সূত্র নিশ্চিত করেছে, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ দলের সদস্য।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
পবিত্র মসজিদুল হারাম প্রাঙ্গণে কাবা শরিফের দেয়ালে থাকা গিলাফ কাটার চেষ্টার অভিযোগে তুরস্ক থেকে আগত এক নারীকে আটক করেছে দায়িত্বরত নিরাপত্তা বাহিনী।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় জানা যায়, ওই নারী কাবার গায়ে মোড়ানো পবিত্র গিলাফ (কিসওয়া) থেকে একটি অংশ কাঁচি দিয়ে কাটার চেষ্টা করেন। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি সেটি ব্যক্তিগত স্মারক হিসেবে সংগ্রহ করতে চেয়েছিলেন। বিষয়টি নজরে আসার সঙ্গে সঙ্গেই আশপাশে থাকা মুসল্লিরা তাকে সতর্ক করেন এবং এ ধরনের কাজ শরিয়ত অনুযায়ী নিষিদ্ধ বলে জানান।
তবে সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তিনি চেষ্টা চালিয়ে গেলে নিরাপত্তাকর্মীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন এবং তাকে আটক করে সরিয়ে নিয়ে যান। ঘটনাটি ঘটার সময় উপস্থিত মুসল্লিদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ওই নারীর পরিচয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়ে। কেউ তাকে মিশরের নাগরিক দাবি করলেও ঘটনাস্থলে উপস্থিত সূত্র নিশ্চিত করেছে, তিনি তুরস্কের নাগরিক এবং একটি তুর্কি হজ দলের সদস্য।
সৌদি আরবের আইন অনুযায়ী, কাবার গিলাফ বা কিসওয়া অত্যন্ত পবিত্র এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদ। এর কোনো অংশ কাটা, ছেঁড়া বা ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত ওই নারীর বর্তমান অবস্থা বা তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সৌদি কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন