ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
আগামীর আলো

বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট


প্রকাশ : ০৯ মার্চ ২০২৬

বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট
বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট

বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট করেন তরুণ চন্দ্র কর্মকার নামে এক যুবক। নেশার টাকার জন্য স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগে পিতা-পুত্রকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোনার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মধ্যে বাজার এলাকার বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় বছর দেড় আগে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়েকে বিয়ে করে বরুণ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তরুণ। বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও পিতাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান মদন। কিছুদিন পরেই শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অনু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তরুণের পিতা মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্সে কাজ করেন।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে তরুণ শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। রোববার রাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের ঘরে স্বর্ণালংকার আনতে গেলে ধরা পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। তবে স্বর্ণালংকার নেওয়ার বিষয়টি পিতা-পুত্র স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, টাকার চাপ ছিল। তাই স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করে দিছি। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

মদন থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন

আগামীর আলো

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট

প্রকাশের তারিখ : ০৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

বাবাকে সঙ্গে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে স্বর্ণালংকার লুট করেন তরুণ চন্দ্র কর্মকার নামে এক যুবক। নেশার টাকার জন্য স্বর্ণালংকার লুট করার অভিযোগে পিতা-পুত্রকে আটক করেছে পুলিশ।

রোববার (৮ মার্চ) রাতে নেত্রকোনার মদন পৌরসভার শ্যামলী রোডের একটি ভাড়া বাসা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মধ্যে বাজার এলাকার বরুণ চন্দ্র কর্মকার (৪৫) ও তার ছেলে তরুণ চন্দ্র কর্মকার (২২)।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় বছর দেড় আগে মদন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের পরিচ্ছন্ন কর্মী ও পৌরসভার বাসিন্দা অমূল্য চন্দ্র দাসের মেয়েকে বিয়ে করে বরুণ চন্দ্র কর্মকারের ছেলে তরুণ। বিয়ের দুই মাস পরেই তরুণ তার স্ত্রী ও পিতাকে নিয়ে শ্বশুরবাড়িতে চলে যান মদন। কিছুদিন পরেই শ্বশুরের বাসার পাশে শ্যামলী রোড এলাকায় অনু মিয়ার বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করেন। তরুণের পিতা মদন পৌরসভার মাতৃ জুয়েলার্সে কাজ করেন।

প্রায় এক সপ্তাহ আগে নেশার টাকার জন্য বাবাকে নিয়ে তরুণ শ্বশুর অমূল্যর বাসা থেকে প্রায় লক্ষাধিক টাকা স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়। রোববার রাতে পুনরায় নেশার টাকার জন্য শ্বশুরের ঘরে স্বর্ণালংকার আনতে গেলে ধরা পড়ে। স্থানীয় লোকজন তাদের আটক থানায় খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়। তবে স্বর্ণালংকার নেওয়ার বিষয়টি পিতা-পুত্র স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে বরুণ চন্দ্র কর্মকার বলেন, টাকার চাপ ছিল। তাই স্বর্ণালংকার নিয়ে বিক্রি করে দিছি। এটা করা আমাদের ঠিক হয়নি।

মদন থানার ওসি হাসনাত জামান বলেন, এ ঘটনায় থানায় এখনো অভিযোগ দেওয়া হয়নি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আগামীর আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: আসাদুজ্জামান
কপিরাইট © ২০২৫ আগামীর আলো