জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর পোড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে হোসেন তাইফুর নামে এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে শহরের দড়িপাড়ার মণ্ডলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন।
নিহত তাহমিনা আক্তার তানিয়া (৩৬) শহরের মুকুন্দবাড়ী এলাকার আবু তাহেরের মেয়ে। তার স্বামী হোসাইন মো. তাইফুর রহমান (৪০) দড়িপাড়া মন্ডলপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় তাহমিনা ও তাইফুরের।
এরপর থেকেই পারিবারিক কলহ চলছিল৷ বৃহস্পতিবার রাতে ঝগড়ার জেরে ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে আঘাত করে তাহমিনাকে হত্যা করেন তাইফুর। এরপর বিছানায় লাশ রেখে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এমন সময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভায় এবং পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মামা মনোয়ার হোসেন কর্নেল বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরেছিল আমার ভাগ্নি তানিয়া। হঠাৎ মধ্য রাতে শুনি তাকে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।”

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ মার্চ ২০২৬
জামালপুরে স্ত্রীকে হত্যার পর পোড়ানোর চেষ্টার অভিযোগে হোসেন তাইফুর নামে এক আইনজীবীকে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার রাত ২টার দিকে শহরের দড়িপাড়ার মণ্ডলপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ইয়াহিয়া আল মামুন।
নিহত তাহমিনা আক্তার তানিয়া (৩৬) শহরের মুকুন্দবাড়ী এলাকার আবু তাহেরের মেয়ে। তার স্বামী হোসাইন মো. তাইফুর রহমান (৪০) দড়িপাড়া মন্ডলপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। তাদের সংসারে এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
নিহতের স্বজন ও স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ১৫ বছর আগে বিয়ে হয় তাহমিনা ও তাইফুরের।
এরপর থেকেই পারিবারিক কলহ চলছিল৷ বৃহস্পতিবার রাতে ঝগড়ার জেরে ধারালো অস্ত্রসহ বিভিন্ন জিনিস দিয়ে আঘাত করে তাহমিনাকে হত্যা করেন তাইফুর। এরপর বিছানায় লাশ রেখে পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এমন সময় প্রতিবেশীরা বিষয়টি বুঝতে পেরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে আগুন নেভায় এবং পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
নিহতের মামা মনোয়ার হোসেন কর্নেল বলেন, “রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাবার বাড়ি থেকে স্বামীর বাড়িতে ফিরেছিল আমার ভাগ্নি তানিয়া। হঠাৎ মধ্য রাতে শুনি তাকে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার চাই।”
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া আল মামুন বলেন, “প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহের কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।”

আপনার মতামত লিখুন