ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
আগামীর আলো

নবাবগঞ্জে সুদের টাকার চাপে বৃদ্ধের আত্মহত্যা


প্রকাশ : ০৫ মার্চ ২০২৬

নবাবগঞ্জে সুদের টাকার চাপে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

ঢাকার নবাবগঞ্জে সুদের টাকার চাপ সইতে না পেরে মো. হুমাযুন (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষপ্রাণের পর ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাড়িতে মারা যায় সে। এঘটনায় নিহতের বোন জারমিন বাদি হয়ে স্থানীয় সুদি ব্যবসায়ী তমিজুদ্দিন খানকে আসামী করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

নিহত হুমায়ুন উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত পরান খানের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক প্রয়োজনে হুমায়ুন তমিজুদ্দিনের কাছ থেকে সুদে ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে তমিজুদ্দিনকে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার পরিশোধ করেন হুমায়ুন। কিন্ত এতেও সন্তুষ্ট ছিলেন না সুদি ব্যবসায়ী তমিজুদ্দিন। তিনি হুমায়ুনের কাছে আরো টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে বিচার শালিস করে ২৫ হাজার দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় বিচারকরা। তবে এতে রাজি না হয়ে তমিজুদ্দিন আরো ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাবি করিয়ে হুমায়ুনকে চাপ দিতে থাকে।

হুমায়ুনের বোন জারমিন অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যায় সুদের টাকার জন্য তার ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তমিজুদ্দিন। এসময় তমিজুদ্দিন আমার ভাইকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “মরলেই টাকার দাবি ছেড়ে দিবে সে”। অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে ঘাস মারার বিষ পান করেন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিসাৎ শেষে বাসায় আসেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। অসুস্থ থাকাবস্থায়ও টাকার জন্য তমিজুদ্দিন চাপ দিতেন বলে জানান জারমিন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত তমিজুদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, 'আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

আগামীর আলো

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


নবাবগঞ্জে সুদের টাকার চাপে বৃদ্ধের আত্মহত্যা

প্রকাশের তারিখ : ০৫ মার্চ ২০২৬

featured Image


ঢাকার নবাবগঞ্জে সুদের টাকার চাপ সইতে না পেরে মো. হুমাযুন (৫৫) নামে এক বৃদ্ধ আত্মহত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষপ্রাণের পর ১১দিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় বৃহস্পতিবার ভোরে নিজ বাড়িতে মারা যায় সে। এঘটনায় নিহতের বোন জারমিন বাদি হয়ে স্থানীয় সুদি ব্যবসায়ী তমিজুদ্দিন খানকে আসামী করে নবাবগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন।

নিহত হুমায়ুন উপজেলার কৈলাইল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামের মৃত পরান খানের ছেলে।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক প্রয়োজনে হুমায়ুন তমিজুদ্দিনের কাছ থেকে সুদে ৫০ হাজার টাকা ধার নিয়েছিলেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে তমিজুদ্দিনকে সব মিলিয়ে ১ লাখ ৬৫ হাজার পরিশোধ করেন হুমায়ুন। কিন্ত এতেও সন্তুষ্ট ছিলেন না সুদি ব্যবসায়ী তমিজুদ্দিন। তিনি হুমায়ুনের কাছে আরো টাকা দাবি করে চাপ সৃষ্টি করতে থাকেন। এক পর্যায়ে স্থানীয়ভাবে বিচার শালিস করে ২৫ হাজার দেওয়ার সিদ্ধান্ত দেয় বিচারকরা। তবে এতে রাজি না হয়ে তমিজুদ্দিন আরো ১ লাখ ৫ হাজার টাকা দাবি করিয়ে হুমায়ুনকে চাপ দিতে থাকে।

হুমায়ুনের বোন জারমিন অভিযোগ করে বলেন, গত ২২ ফেব্রæয়ারি সন্ধ্যায় সুদের টাকার জন্য তার ভাইকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন তমিজুদ্দিন। এসময় তমিজুদ্দিন আমার ভাইকে স্পষ্ট জানিয়ে দেন, “মরলেই টাকার দাবি ছেড়ে দিবে সে”। অপমান সইতে না পেরে বাসায় এসে ঘাস মারার বিষ পান করেন। তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মিডফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কয়েকদিন চিকিসাৎ শেষে বাসায় আসেন হুমায়ুন। বৃহস্পতিবার ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় সে। অসুস্থ থাকাবস্থায়ও টাকার জন্য তমিজুদ্দিন চাপ দিতেন বলে জানান জারমিন।

এবিষয়ে অভিযুক্ত তমিজুদ্দিনের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি। ঘটনার পর থেকে সে পলাতক রয়েছে।

নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনোয়ার আলম আজাদ বলেন, 'আমরা মরদেহ উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে।


আগামীর আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: আসাদুজ্জামান
কপিরাইট © ২০২৫ আগামীর আলো