ঢাকা    সোমবার, ১১ মে ২০২৬
আগামীর আলো

ঈশ্বরদীতে বাড়ির ফটকে দাদির রক্তাক্ত লাশ, অদূরে সরিষা খেতে নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ


প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

ঈশ্বরদীতে বাড়ির ফটকে দাদির রক্তাক্ত লাশ, অদূরে সরিষা খেতে নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ

পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে নিজবাড়িতে দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে তাকেও হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর মোল্লাপাড়ার নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭৫) ও জয়নাল উদ্দিনের মেয়ে জামিলা খাতুন (১৬)। নিহত জামিলা একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। সে সুফিয়া বেগমের নাতনি। রাতে দুজন একই বাড়িতে ছিলেন।

সেলফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা তদন্ত ও খোঁজখবর নিচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানাচ্ছি।

তবে নিহত পরিবারের স্বজন পাবনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক সাগর হোসেন রনি সেলফোনে বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে বাড়ির গেটের সামনে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। তখন আবার জামিলাকেও পাওয়া যাচ্ছিল না বাড়িতে। একপর্যায়ে খোঁজাখুজির পর বাড়ি থেকে কিছু দূরে বিবস্ত্র অবস্থায় একটি সরিষা খেতে জামিলার লাশ পাওয়া যায়।

এদিকে ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদী থানার পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে।


আপনার মতামত লিখুন

আগামীর আলো

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


ঈশ্বরদীতে বাড়ির ফটকে দাদির রক্তাক্ত লাশ, অদূরে সরিষা খেতে নাতনির বিবস্ত্র মরদেহ

প্রকাশের তারিখ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পাবনার ঈশ্বরদীতে মধ্যরাতে নিজবাড়িতে দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে তাকেও হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর মোল্লাপাড়ার নাজিম উদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া বেগম (৭৫) ও জয়নাল উদ্দিনের মেয়ে জামিলা খাতুন (১৬)। নিহত জামিলা একটি মাদ্রাসার ছাত্র ছিল। সে সুফিয়া বেগমের নাতনি। রাতে দুজন একই বাড়িতে ছিলেন।

সেলফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মমিনুজ্জামান। তিনি বলেন, আমরা তদন্ত ও খোঁজখবর নিচ্ছি। বিস্তারিত পরে জানাচ্ছি।

তবে নিহত পরিবারের স্বজন পাবনা জেলা ছাত্রদলের সদস্য ও ঈশ্বরদী উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক প্রচার সম্পাদক সাগর হোসেন রনি সেলফোনে বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠে প্রথমে বাড়ির গেটের সামনে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ দেখে হতবিহ্বল হয়ে পড়ি। তখন আবার জামিলাকেও পাওয়া যাচ্ছিল না বাড়িতে। একপর্যায়ে খোঁজাখুজির পর বাড়ি থেকে কিছু দূরে বিবস্ত্র অবস্থায় একটি সরিষা খেতে জামিলার লাশ পাওয়া যায়।

এদিকে ঘটনার পরপরই ঈশ্বরদী থানার পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন।

পরিবারের দাবি, দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিতভাবে দাদিকে হত্যার পর নাতনিকে তুলে নিয়ে গিয়ে হত্যা করেছে।



আগামীর আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: আসাদুজ্জামান
কপিরাইট © ২০২৫ আগামীর আলো