ঢাকা    বুধবার, ২০ মে ২০২৬
আগামীর আলো

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দূতদের সাক্ষাৎ


প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দূতদের সাক্ষাৎ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দূতেরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পৃথক বৈঠকে তাঁরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে চীনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। পরে ইয়াও ওয়েন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খলিলুর রহমানকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রস্তুতির কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দূরদর্শী ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষ নিয়মিত ও গঠনমূলক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হন। প্রণয় ভার্মা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পক্ষ থেকে তাঁকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। খলিলুর রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জনগণের কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আপনার মতামত লিখুন

আগামীর আলো

বুধবার, ২০ মে ২০২৬


পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দূতদের সাক্ষাৎ

প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত ভারত, পাকিস্তান ও চীনের দূতেরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) পৃথক বৈঠকে তাঁরা পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানান এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেন।

চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও গভীর করতে চীনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ-চীন সমন্বিত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি রোহিঙ্গাদের দ্রুত প্রত্যাবাসনে চীনের সক্রিয় ভূমিকা প্রত্যাশা করেন। পরে ইয়াও ওয়েন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষ থেকে খলিলুর রহমানকে বেইজিং সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার বিষয়ে ভারতের প্রস্তুতির কথা জানান। পররাষ্ট্রমন্ত্রী পারস্পরিক স্বার্থের ভিত্তিতে দূরদর্শী ও ভারসাম্যপূর্ণ অংশীদারত্ব গড়ে তোলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। উভয় পক্ষ নিয়মিত ও গঠনমূলক যোগাযোগ বজায় রাখার বিষয়ে একমত হন। প্রণয় ভার্মা ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের পক্ষ থেকে তাঁকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানান।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। খলিলুর রহমান দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জনগণের কল্যাণে আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে বাংলাদেশের অগ্রাধিকারের কথা তুলে ধরেন এবং সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।



আগামীর আলো

সম্পাদক ও প্রকাশক: আসাদুজ্জামান
কপিরাইট © ২০২৫ আগামীর আলো