নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ (সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সিংগা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- খলিল শেখ (৬০), তাহাজ্জত শেখ (৩০) ওসি (৩০) ও ফেরদৌস (৪০)। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে স্থানীয় সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্লার নেতৃত্বে লোকজন এলাকায় গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে গ্রামের খলিল শেখ তার ছেলে তাহাজ্জত ও ফেরদৌস শেখকে ধরে এনে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও পরে সদর হাসপাতালে নিলে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করছেন তারা।
ওসি মোহাম্মদ ওলি মিয়া জানান, ঘটনা স্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নড়াইল সদর উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারের জেরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৪ জন নিহত হয়েছেন। আজ (সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার সিংগা গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
নড়াইল সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওলি মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন- খলিল শেখ (৬০), তাহাজ্জত শেখ (৩০) ওসি (৩০) ও ফেরদৌস (৪০)। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের বিস্তারিত পরিচয় জানা যায়নি। তবে তারা সবাই একই এলাকার বাসিন্দা বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্র ও পুলিশ জানায়, ভোরে স্থানীয় সিংগাশোলপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান খায়ের মোল্লার নেতৃত্বে লোকজন এলাকায় গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। পরে গ্রামের খলিল শেখ তার ছেলে তাহাজ্জত ও ফেরদৌস শেখকে ধরে এনে এলোপাথাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে। সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই তিনজন ও পরে সদর হাসপাতালে নিলে আরও একজনের মৃত্যু হয়।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত জানা গেছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে কাজ করছেন তারা।
ওসি মোহাম্মদ ওলি মিয়া জানান, ঘটনা স্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন