সরকারি দল সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করে গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে যারা গণরায় দিয়েছে, তাদের সবার সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, শপথ গ্রহণ এবং মন্ত্রিসভার শপথ যেদিন গঠিত হলো, সেদিনই বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে, বাংলাদেশের যারা সংস্কারের জন্য প্রত্যাশী ছিল, যারা গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে গণরায় দিয়েছে, তাদের সবার সঙ্গেই এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে। গণভোট হয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের সমসাময়িক বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম নির্বাচন। হাজারো শহীদের রক্ত পেরিয়ে আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে, বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত পাবে। দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাব। কিন্তু নানা কারণে আমাদের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। আমরা আশাহত হয়েছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনকে নিয়ে আমাদের সেই পর্যালোচনাগুলো রেখেছি। নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলে কারচুপি হয়েছে। সেগুলো সত্ত্বেও আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে, আমরা দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে, আমরা এই নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগোতে দিয়েছি। আমরা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে এবং সংস্কার পরিষদকে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি।

বুধবার, ২০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারি দল সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ না করে গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে যারা গণরায় দিয়েছে, তাদের সবার সঙ্গে এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, শপথ গ্রহণ এবং মন্ত্রিসভার শপথ যেদিন গঠিত হলো, সেদিনই বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে, বাংলাদেশের যারা সংস্কারের জন্য প্রত্যাশী ছিল, যারা গণভোটে হ্যাঁ’র পক্ষে গণরায় দিয়েছে, তাদের সবার সঙ্গেই এক ধরনের প্রতারণা করা হয়েছে। গণভোট হয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ অনুসারে।
বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে দলটির অস্থায়ী কার্যালয়ে দেশের সমসাময়িক বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের বহুল আকাঙ্ক্ষিত নির্বাচন। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তী প্রথম নির্বাচন। হাজারো শহীদের রক্ত পেরিয়ে আমরা এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছি। আমাদের সবার আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হবে, বাংলাদেশের রাষ্ট্র সংস্কারের কাজ সম্পন্ন হবে। ফ্যাসিবাদের বিচার নিশ্চিত হবে। বাংলাদেশ আধিপত্যবাদ থেকে মুক্ত পাবে। দুর্নীতিমুক্ত সুশাসন নিশ্চিত করে আমরা একটি সমৃদ্ধ গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাব। কিন্তু নানা কারণে আমাদের সেই স্বপ্ন ভঙ্গ হয়েছে। আমরা আশাহত হয়েছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা নির্বাচনকে নিয়ে আমাদের সেই পর্যালোচনাগুলো রেখেছি। নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্বাচনে ভোটগ্রহণ সুষ্ঠু হলেও ফলে কারচুপি হয়েছে। সেগুলো সত্ত্বেও আমরা গণতন্ত্রের স্বার্থে, আমরা দেশের স্থিতিশীলতার স্বার্থে, আমরা এই নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে আমরা সামনের দিকে এগোতে দিয়েছি। আমরা বাংলাদেশের জাতীয় সংসদকে এবং সংস্কার পরিষদকে সংবিধান সংস্কার পরিষদকে কার্যকর করতে আমরা শপথ গ্রহণ করেছি।

আপনার মতামত লিখুন