নায়ক মান্না নেই ১৮ বছর শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি ছিল তার গভীর আগ্রহ। উচ্চমাধ্যমিক শেষে ঢাকায় পড়াশোনার সময় ১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে রূপালি জগতে প্রবেশ করেন তিনি। মান্নার অভিনীত প্রথম ছবি ‘তওবা’ হলেও মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা ছিল ‘পাগলি’। তবে ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘কাসেম মালার প্রেম’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ঢালিউডের নির্ভরযোগ্য নায়ক হিসেবে। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দাঙ্গা’ ও ‘ত্রাস’ সিনেমায় তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। পরবর্তীতে ‘অন্ধ প্রেম’, ‘প্রেম দিওয়ানা’, ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ও ‘দেশদ্রোহী’সহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ১৯৯৯ সালে ‘কে আমার বাবা’, ‘আম্মাজান’ ও ‘লাল বাদশা’র মতো সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন এই তারকা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন মান্না। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও সফল ছিলেন তিনি। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে ‘লুটতরাজ’, ‘আমি জেল থেকে বলছি’, ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘দুই বধূ এক স্বামী’সহ বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ক্যারিয়ারে একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং পাঁচবার বাচসাস পুরস্কারসহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ব্যক্তিগত জীবনে সহ-অভিনেত্রী শেলী কাদেরকে বিয়ে করেছিলেন মান্না। তাঁদের একমাত্র পুত্র সিয়াম ইলতিমাস মান্না। চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান এবং দর্শকের হৃদয়ে গড়ে ওঠা ভালোবাসা আজও তাঁকে অমর করে রেখেছে। |

সোমবার, ১৮ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
শৈশব থেকেই অভিনয়ের প্রতি ছিল তার গভীর আগ্রহ। উচ্চমাধ্যমিক শেষে ঢাকায় পড়াশোনার সময় ১৯৮৪ সালে ‘নতুন মুখের সন্ধানে’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে রূপালি জগতে প্রবেশ করেন তিনি। মান্নার অভিনীত প্রথম ছবি ‘তওবা’ হলেও মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সিনেমা ছিল ‘পাগলি’। তবে ১৯৯১ সালে মোস্তফা আনোয়ার পরিচালিত ‘কাসেম মালার প্রেম’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে দর্শকের নজরে আসেন তিনি। এরপর ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ঢালিউডের নির্ভরযোগ্য নায়ক হিসেবে। কাজী হায়াত পরিচালিত ‘দাঙ্গা’ ও ‘ত্রাস’ সিনেমায় তাঁর অভিনয় বিশেষভাবে প্রশংসিত হয়। পরবর্তীতে ‘অন্ধ প্রেম’, ‘প্রেম দিওয়ানা’, ‘ডিস্কো ড্যান্সার’ ও ‘দেশদ্রোহী’সহ একাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ১৯৯৯ সালে ‘কে আমার বাবা’, ‘আম্মাজান’ ও ‘লাল বাদশা’র মতো সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন এই তারকা। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিন শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন মান্না। অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজক হিসেবেও সফল ছিলেন তিনি। নিজের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে ‘লুটতরাজ’, ‘আমি জেল থেকে বলছি’, ‘স্বামী স্ত্রীর যুদ্ধ’, ‘দুই বধূ এক স্বামী’সহ বেশ কয়েকটি ব্যবসাসফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। ক্যারিয়ারে একবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, তিনবার মেরিল-প্রথম আলো পুরস্কার এবং পাঁচবার বাচসাস পুরস্কারসহ নানা সম্মাননায় ভূষিত হন এই জনপ্রিয় অভিনেতা। ব্যক্তিগত জীবনে সহ-অভিনেত্রী শেলী কাদেরকে বিয়ে করেছিলেন মান্না। তাঁদের একমাত্র পুত্র সিয়াম ইলতিমাস মান্না। চলচ্চিত্রে তাঁর অবদান এবং দর্শকের হৃদয়ে গড়ে ওঠা ভালোবাসা আজও তাঁকে অমর করে রেখেছে। |

আপনার মতামত লিখুন